২০২৩ সালকে আন্তর্জাতিক মিলেট বছর হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে

সাংবাদিক সুমন মালের রিপোর্ট সোনামুখী বাঁকুড়া।

২০২৩ সালকে আন্তর্জাতিক মিলেট বছর হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশে এই মিলেট নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। মিলেট জাতীয় শষ্যের চাষ এবং মিলেট থেকে নানান খাদ্য তৈরি করার উপর জোর চেষ্টা চলছে। জল বায়ুর খেয়ালী পনায় আমাদের চিরাচরিত শস্যের উৎপাদনের ক্ষেত্রে ব্যাপক বাধার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই এই মিলেটকে বিকল্প খাদ্য তালিকায় তুলে আনার উদ্যোগী হয়েছে দেশ। মিলেটের খাদ্যগুণ অন্যান্য শষ্যের তুলনায় কম নয়, এতে ফাইবার প্রচুর থাকায় মানুষকে বহু রোগ থেকে মুক্ত করে, বিশেষ করে পেটের রোগ, খাদ্য নালির ক্যান্সার প্রতিরোধে এর বিকল্প নেই। এই সব উপযোগিতার কথা চিন্তা করে সুইচ অন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং সোনামুখী কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সহযোগিতায় কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে মিলেট থেকে খাবার তৈরির এক প্রতিযোগিতা হয়ে গেল। এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ব্লক থেকে বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মেয়েরা অংশগ্রহণ করে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মিলেট দিয়ে ঐসব অংশ গ্রহণ কারী প্রতিযোগীরা নানান ধরনের খাদ্য তৈরি করে। মিলেটে তৈরি ঐ খাবারের মান যাচাই করার জন্য একটি বিচারক মন্ডলী নিযুক্ত করা হয়। ঐ বিচারক মন্ডলীতে ছিলেন ডাক্তার দীনেশ বরাত, প্রাক্তন মেডিক্যাল অফিসার , পুষ্পেন্দু চৌধুরী, জুনিয়ার ম্যানেজার W B S, E D C L, ডাক্তার মৌমিতা দে গুপ্তা, প্রোগ্রাম কো- অর্ডিনেটর কেভিকে , শ্রী অজিত ঘোষাল প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, এদের বিচারে প্রতি যোগীদের মধ্যে প্রথম হয়েছে নিবেদিতা মুষিব, দ্বিতীয় সন্তু চ্যাটার্জী, তৃতীয় শিল্পা প্রামানিক। স্থানাধিকারী এবং অংশ গ্রহণ কারী প্রত্যেক প্রতিযোগীকে সুইচ অন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মেমেন্টো দিয়ে সম্মানিত করা হয়। এ দিনের এই মিলেট রেসিপি প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সঞ্চালনা করেন কেভিকের কো-অর্ডিনেটর ডাক্তার মৌমিতা দে গুপ্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *